"রাস্তা" দিয়ে ছন্দ—রাস্তা আর যাত্রা একই মিলে
"রাস্তা" সপ্তাহের প্রথম দিন "রাস্তা" নিজেই।
পূর্ণ মিল ১৯৯টি শব্দ
"রাস্তা"-র পূর্ণ মিল ১৯৯টি শব্দের। স্ক্রিনে সর্বোচ্চ ১২০টি দেখানো হয়, তাই পাতায় গুনলে ১৯৯ পাওয়া যাবে না।
কিছু উদাহরণ: আশা, যাওয়া, বাসা, তারা, মারা, থাকা, ধারা, মায়া, ভাষা, টাকা, মাথা, বাবা, রাজা, জানা।
রাস্তা আর যাত্রা
সবচেয়ে ভালো জোড়াটা তালিকার ভেতরেই: যাত্রা।
রাস্তা আর যাত্রা—যার উপর দিয়ে চলা হয়, আর চলাটা নিজেই। দুটোর স্বর-গঠন একই (আ–আ), তাই এরা পূর্ণ মিল। দুটোই প্রচলিত শব্দ, আর দুটোর পাতাই একে অপরকে দেখায়।
একই দলে হাঁটা (হাঁটা)-ও আছে, তবে সেটা ১২০-এর সীমার বাইরে পড়ে যায়—আছে, কিন্তু স্ক্রিনে দেখা যায় না।
"-আ" দিয়ে শেষ হওয়া ক্রিয়াই তালিকাটা ভরে
১৯৯ কেন এত বড়? কারণটা ব্যাকরণে।
বাংলায় ক্রিয়ার নামরূপ -আ দিয়ে শেষ হয়। যে ক্রিয়ার প্রথম স্বর আ, সেটাই আপনা-আপনি এই মিলে ঢুকে পড়ে: আসা, যাওয়া, থাকা, জানা, রাখা, মারা, খাওয়া, পাওয়া, কাটা, ধাওয়া, সাজা, বাধা।
অর্থাৎ এই মিলটা শব্দের ইতিহাস থেকে নয়, ভাষার গড়ন থেকে তৈরি। যতদিন বাংলায় ক্রিয়ার নামরূপ "-আ" দিয়ে শেষ হবে, ততদিন তালিকাটা ভরতেই থাকবে।
যাত্রার শব্দভাণ্ডার
তালিকার ভেতরেই ভ্রমণের কথা বলার মতো শব্দ যথেষ্ট আছে:
আশা (আশা), বাসা (বাড়ি), থাকা (থেমে থাকা), যাওয়া (এগিয়ে চলা), ধারা (স্রোত), ছাড়া (ছেড়ে দেওয়া), তারা (তারা)।
আশা নিয়ে রাস্তায় যাওয়া, বাসা ছাড়া, মাথার উপর তারা—এই কটা শব্দ পাশাপাশি রাখলেই একটা যাত্রার গল্প দাঁড়িয়ে যায়।
কাছাকাছি ধ্বনি
"কাছাকাছি ধ্বনি"-র তালিকায় প্রায় সবই -াতা দিয়ে শেষ: মাতা, ছাতা, খাতা, দাতা, পাতা, ভাতা, ভ্রাতা, আর নাস্তা ও বার্তা।
রাস্তা থেকে এদের দূরত্ব মাত্র একটা ব্যঞ্জন—কিন্তু মিলের নিয়ম সেটুকুতেই আলাদা স্তরে সরিয়ে দেয়।
Raimz-এ "রাস্তা" খুঁজে মিলের শব্দ ও উচ্চারণের পূর্ণ তালিকা দেখুন।
এই সপ্তাহের বিষয় "রাস্তা"।